এটা কার জন্য উপযোগী?

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তাদের পরিবার, পরিচর্যাকারী

প্রকাশের তারিখ
নভেম্বর 2026
তৈরি করা হয়েছে
ন্যাশনাল রিসোর্স সেন্টার অন ডেফব্লাইন্ডনেস- এনআরসিডিবি, সিডিডি।

বাংলাদেশ সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের (Persons with Disabilities) জীবনমান উন্নয়নে শুধু মাসিক ভাতা নয়, বরং শিক্ষা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানেও বিশাল সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই এই সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হন। আজকের এই গাইডে আমরা জানবো একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা ‘সুবর্ণ নাগরিক’ সরকারের কাছ থেকে ঠিক কী কী সুবিধা পেতে পারেন।

প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র (Disability Identity Card)

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মূল সরকারি সুবিধাসমূহ

আপনি কী কী সুবিধা পাবেন?

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র (Disability Identity Card)

প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র হলো বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃত একটি পরিচয়পত্র, যা প্রমাণ করে যে একজন ব্যক্তি সরকারিভাবে নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। এই পরিচয়পত্র ছাড়া অধিকাংশ সরকারি সুবিধা যেমন ভাতা, শিক্ষা উপবৃত্তি, পুনর্বাসন সেবা, সহায়ক উপকরণ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করা কঠিন হতে পারে। প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সরকারি সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রধান মাধ্যম।

কীভাবে নিবন্ধন করা হয়

প্রতিবন্ধী পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য প্রথমে প্রতিবন্ধী তথ্য ব্যবস্থাপনা ও নিবন্ধন কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হতে হয়। সাধারণত আবেদনকারীকে উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হয়। আবেদন গ্রহণের পর নির্ধারিত চিকিৎসক বা মূল্যায়ন কমিটি ব্যক্তির কার্যকরী সক্ষমতা (functional ability) মূল্যায়ন করে। মূল্যায়নে দৃষ্টি, শ্রবণ, শারীরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, মানসিক, অটিজম, বাক-যোগাযোগ ও বহুমাত্রিক প্রতিবন্ধিতা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • মেডিকেল বা প্রতিবন্ধিতা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র (যদি থাকে)
  • আবেদন ফরম   

নিবন্ধন: স্থানীয় সমাজসেবা অফিসে গিয়ে বা অনলাইনে সুবর্ণ নাগরিক কার্ডের জন্য আবেদন করুন।

ডাক্তারি পরীক্ষা: সিভিল সার্জনের অফিস বা নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে প্রতিবন্ধিতার ধরণ নির্ণয় করতে হবে।

কার্ড সংগ্রহ: সমাজসেবা অফিস থেকে কার্ডটি সংগ্রহ করুন।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মূল সরকারি সুবিধাসমূহ

একজন নিবন্ধিত প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা সুবর্ণ নাগরিক কার্ডধারীরা মূলত উল্লেখযোগ্য যে সুবিধাগুলো পান:

১. মাসিক ভাতা: ৯০০ টাকা (বাজেট অনুযায়ী পরিবর্তনযোগ্য)।

২. শিক্ষা উপবৃত্তি: প্রাথমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ৯০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত।

৩. বিনামূল্যে চিকিৎসা: দেশের ১০৩টি কেন্দ্রে ফিজিওথেরাপি ও স্পিচ থেরাপি।

৪. সহায়ক উপকরণ: বিনামূল্যে হুইলচেয়ার, হিয়ারিং এইড ও সাদা ছড়ি।

৫. ঋণ সুবিধা: ৫,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ।

৬. বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম: প্রতিমাসে ৬৫০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়।

৭. মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা: ১২,০০০ টাকা

আপনি কী কী সুবিধা পাবেন?

সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ‘বোঝা’ নয়, বরং ‘সম্পদ’ হিসেবে গড়ে তুলতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বহুমুখী সেবা দিচ্ছে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. প্রতিবন্ধী ভাতা (Disability Allowance)

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামজিক নিরাপত্তার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে মাসিক ৯০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হয়। ৬ বছরের বেশি বয়সী সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এই সেবা পাবেন। তবে চাকুরীজীবি, পেনশনভোগী কিংবা কেউ যদি বয়স্ক ভাতা বা সরকার থেকে অন্য কোনো ভাতা পেয়ে থাকেন তারা এই ভাতা পাবেন না। ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সুবর্ণ নাগরিক কার্ড থাকতে হবে।

সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সমাজসেবা অফিস থেকে এ সেবা পাওয়া যাবে। এছাড়া এই টাকা এখন সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) এর মাধ্যমে পৌঁছে যায়।

২. বয়স্ক ভাতা

সরকার কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তার জন্য বয়স্ক ব্যক্তিদেরকে বর্তমানে প্রতিমাসে জনপ্রতি ৬৫০ টাকা করে ‘বয়স্ক ভাতা’ প্রদান করা হয়। দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলার যেসব পুরুষ (৬৫ বছর বা তার বেশি), নারীর (৬২ বছর বা তার বেশি) বার্ষিক গড় আয় দশ হাজার (১০,০০০) টাকা তারা এই সেবা পাবেন। কেউ চাইলে প্রতিমাসে কিংবা এককালীন ভাতার টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কার্যালয়ে এই সেবা পাওয়া যাবে।

৩. শিক্ষা উপবৃত্তি

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, সেজন্য ৪টি স্তরে মাসিক উপবৃত্তি দেওয়া হয়:

  • প্রাথমিক স্তর (১ম-৫ম শ্রেণি): ৯০০ টাকা
  • মাধ্যমিক স্তর (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি): ৯৫০ টাকা
  • উচ্চ মাধ্যমিক স্তর (১১শ-দ্বাদশ): ১০৫০ টাকা
  • উচ্চতর স্তর (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর): ১৩০০ টাকা

সরকার কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ৫ বছর বয়সের উর্ধ্বে প্রতিবন্ধী ছাত্র ছাত্রী, যাদের বার্ষিক মাথাপিছু পারিবারিক আয় ৩৬,০০০ টাকার নিচে তারা এই সেবার আওতাভুক্ত হবেন। সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সমাজসেবা অফিসে এই সেবা পাওয়া যাবে।

৪. সুদমুক্ত ঋণ ও কর্মসংস্থান

দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যেন নিজেদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে পারে সেজন্য সরকার ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করেছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে পাঁচ হাজার (৫,০০০) টাকা থেকে সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার (৫০,০০০) টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ঋণ পাওয়া যায়। 

যে সদস্যদের বার্ষিক গড় আয় সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত তারা এই সেবার আওতাভুক্ত। নির্ধারিত ফরমে আবেদনের যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদন করার এক মাসের মধ্যে ১ম বার ঋণ গ্রহণ করা যাবে। ২য় ও ৩য় বার ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ২০ দিনের মধ্যে ঋণ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের ৪৯৫টি উপজেলায় সমাজসেবা কার্যালয় থেকে এ সেবা গ্রহণ করা যাবে।

৫. বিনামূল্যে চিকিৎসা ও থেরাপি সেবা

দেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র (Disability Service and Help Centre) থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আধুনিক চিকিৎসা পাওয়া যায়। এখানে যেসব সেবা মেলে:

  • ফিজিওথেরাপি: স্ট্রোক, প্যারালাইসিস বা বাত ব্যথার রোগীদের জন্য।
  • স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি: যারা কথা বলতে বা শুনতে পারে না তাদের জন্য।
  • কাউন্সেলিং: মানসিক স্বাস্থ্য ও অটিজম বিষয়ক পরামর্শ।
  • টেস্ট: হিয়ারিং টেস্ট (শ্রবণ পরীক্ষা) ও অপটোমেট্রিক টেস্ট (দৃষ্টি পরীক্ষা)।

৬. বিনামূল্যে সহায়ক উপকরণ (Assistive Devices)

আর্থিক সামর্থ্য নেই এমন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধার্থে সরকার বিনামূল্যে দামী উপকরণ সরবরাহ করে:

  • হুইলচেয়ার (Wheelchair) ও ট্রাইসাইকেল।
  • ক্রাচ ও ওয়াকিং ফ্রেম।
  • সাদা ছড়ি (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য)।
  • হিয়ারিং এইড বা কানে শোনার যন্ত্র।
  • বিশেষ চশমা।

এই উপকরণগুলো পেতে আপনার নিকটস্থ প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রে আবেদন করতে হবে।

৭. যাতায়াত ও পরিবহন সুবিধা

২০১৩ সালের প্রতিবন্ধী সুরক্ষা আইন অনুযায়ী, গণপরিবহনে (বাস, ট্রেন, লঞ্চ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য নির্দিষ্ট আসন (Reserved Seats) সংরক্ষিত থাকবে এবং ভাড়ার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে।

৮. বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসন

দৃষ্টি, শ্রবণ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশালসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে বিশেষায়িত স্কুল রয়েছে।

  • আবাসিক সুবিধা: অনেক স্কুলে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
  • ব্রেইল বই: দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিনামূল্যে ব্রেইল বই ও শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হয়।

৯. ফ্যামিলি পেনশন সুবিধা

কোনো সরকারি চাকরিজীবী মারা গেলে এবং তার যদি কোনো প্রতিবন্ধী সন্তান থাকে, তবে সেই সন্তান তার বাবা বা মায়ের অবর্তমানে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবে।

১০. জন্ম নিবন্ধন ফি মওকুফ

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্ম নিবন্ধন ফি মওকুফ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আবেদন পত্রে তার প্রতিবন্ধিতার বিষয়টি উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়াও উপযুক্ত ডাক্তারের প্রত্যয়নের ভিত্তিতেও বিনা ফি তে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করা যাবে।

১১. মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা

সরকার কর্তৃক প্রত্যেক অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাকে জনপ্রতি মাসে ১২,০০০ টাকা করে প্রদান করা হয়। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সনদপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হতে হবে। যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, মৃত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার এবং যারা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট হতে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন তারা এই সেবা পাবেন না।

সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবেন।

১২. চাকরি কোটা

বর্তমান কোটা পদ্ধতিতে শুধু সরকারি ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির চাকরিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও এতিমদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। ১ম ও ২য় শ্রেণির সরকারি চাকুরিতে নিয়োগে তাদের জন্য সংরক্ষিত কোন কোটা নেই। এক্ষেত্রে যোগ্যতাই নিয়োগের একমাত্র মাপকাঠি। তাই প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে ১ম ও ২য় শ্রেণির সরকারি চাকুরীতে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে যোগ্য প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করা হবে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

প্রশ্ন: প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য কোথায় আবেদন করবো?

উত্তর: আপনি অনলাইনে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পোর্টালে অথবা সরাসরি আপনার ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা সমাজসেবা অফিসে গিয়ে আবেদন করতে পারেন।

প্রশ্ন: আমি কি একই সাথে বয়স্ক ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা পাবো?

উত্তর: না, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন ব্যক্তি সাধারণত একটির বেশি ভাতা (যেমন বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা) একসাথে পান না। তবে শিক্ষা উপবৃত্তির সাথে ভাতার বিষয়টি ভিন্ন হতে পারে।

প্রশ্ন: সুদমুক্ত ঋণ পেতে কী জামানত লাগে?

উত্তর: সমাজসেবা অধিদপ্তরের ক্ষুদ্র ঋণের জন্য সাধারণত বড় কোনো জামানতের প্রয়োজন হয় না, তবে স্থানীয় জামিনদার বা সুপারিশ প্রয়োজন হতে পারে।

ডাউনলোড

এটা কি কার্যকরী ছিলো?

এটা কি কার্যকরী ছিলো?

শেয়ার


একই রকম রিসোর্স

শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুর উপযোগী শ্রেণীকক্ষের পরিবেশ তৈরি

এই রিসোর্সে মূলত কীভাবে শ্রেণিকক্ষে শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুর উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা দিবস

এই রিসোর্সটি মূলত আন্তর্জাতিক শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা দিবসের ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য দিয়ে থাকে।

নৈঃশব্দ থেকে কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা

এই রিসোর্সটি মূলত শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত একটি যুব নেটওয়ার্ক দল, তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য দিয়ে থাকে।