এটা কার জন্য উপযোগী?
শ্রবণদৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তাদের অভিভাবক, পরিচর্যাকারী, শিক্ষক।
একটি আদর্শ শ্রেণীকক্ষ শিশুর শ্রবণ মাত্রাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে থাকে। এক্ষেত্রে শিক্ষকেরা এসব বিষয়গুলোকে মাথায় রেখে শিশুর জন্য শ্রেণীকক্ষের পরিবেশ তৈরী করতে পারেন।
১. শ্রেণীকক্ষে বিভিন্ন শব্দ যেমন নড়াচড়া বা চলাচলের শব্দ, কোন যন্ত্র ব্যবহার করলে তার শব্দ বা কথা বলার শব্দ যা শিশুর কাজের সাথে সরাসরি জড়িত নয়- এমন সকল শব্দ যথাসম্ভব কম করতে হবে। বাইরের শব্দ যত কম শ্রেণী কক্ষে আসবে ততই ভাল।
২. শ্রেণীকক্ষে যথাসম্ভব অপ্রয়োজনীয় কাজ বা কথা পরিহার করতে হবে। এগুলো শ্রেণীকক্ষে অযথা শব্দের সৃষ্টি করে। কাজের জন্য যে কথা বলা বা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেগুলোই করতে হবে।
৩. কাজের জন্য যখন কোন কথা বলা বা কোন শব্দ করার প্রয়োজন হবে তা যেন পরিস্কার হয় যাতে শিশু স্পষ্টভাবে শুনতে পারে;
৪. অনেক সময় শব্দ কার্পেট, আসবাবপত্র বা পর্দায় বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে শিশু তা ঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারে না;
৫. শিশু যে স্থানে কাজ করে সেখানে যথাসম্ভব অপ্রয়োজনীয় শব্দ পরিহার করতে হবে;
৬. শিশুর সময়কে বিভিন্ন কাজের জন্য ভাগ করে নিতে হবে। এর মধ্য দিয়ে নির্ধারণ করা হবে কখন শিশু নিরবে কাজ করবে, কখন তার কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে;
৭. শিশুর যদি কোন কিছু শোনার যেমন গান, প্রয়োজন হয় তবে সে হেড ফোন ব্যবহার করতে পারে। ফলে অন্য শিশুদের মনোযোগ কোন বিঘ্ন ঘটবে না;